Parvez Ahmed's blog: 2019

Monday, April 15, 2019

ঘুম থেকে জেগে উঠার সময়ের যিক্‌রসমূহ #২


لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ وَحْدَهُ لاَ شَرِيكَ لَهُ، لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ، وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ، سُبْحَانَ اللَّهِ، وَالْحَمْدُ لِلَّهِ، وَلاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ، وَاللَّهُ أَكْبَرُ، وَلاَ حَوْلَ وَلاَ قُوَّةَ إِلاَّ بِاللَّهِ الْعَلِيِّ الْعَظِيمِ، رَبِّ اغْفِرْ لِي
একমাত্র আল্লাহ ছাড়া কোনো হক্ব ইলাহ নেই, তাঁর কোনো শরীক নেই; রাজত্ব তাঁরই, প্রশংসাও তাঁরই; আর তিনি সকল কিছুর ওপর ক্ষমতাবান। আল্লাহ পবিত্র-মহান। সকল হামদ-প্রশংসা আল্লাহ্‌র। আল্লাহ ছাড়া কোনো হক্ব ইলাহ নেই। আল্লাহ সবচেয়ে বড়। সুউচ্চ সুমহান আল্লাহর সাহায্য ছাড়া (পাপ কাজ থেকে দূরে থাকার) কোনো উপায় এবং (সৎকাজ করার) কোনো শক্তি কারো নেই। হে রব্ব ! আমাকে ক্ষমা করুন
লা ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু ওয়াহ্‌দাহূ লা- শারীকালাহূ, লাহুল মুলকু, ওয়ালাহুল হামদু, ওয়াহুয়া ‘আলা কুল্লি শায়ইন ক্বাদীর। সুবহা-নাল্লাহি, ওয়ালহামদু লিল্লাহি, ওয়া লা ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু, ওয়াল্লা-হু আকবার, ওয়া লা- হাওলা ওয়ালা- কুওয়াতা ইল্লা- বিল্লা-হিল ‘আলিয়্যিল ‘আযীম, রাব্বিগফির লী
যে ব্যক্তি তা বলবে তাকে ক্ষমা করে দেওয়া হবে। যদি সে দো‘আ করে, তবে তার দো‘আ কবুল হবে। যদি সে উঠে ওযু করে নামায পড়ে, তবে তার নামায কবুল করা হবে।

Sunday, March 24, 2019

ঘুম থেকে জেগে উঠার সময়ের যিক্‌রসমূহ #১


الْحَمْدُ لِلَّهِ الَّذِيْ أَحْيَانَا بَعْدَ مَا أَمَاتَنَا، وَإِلَيْهِ النُّشُوْرُ
হামদ-প্রশংসা আল্লাহ্‌র জন্য, যিনি (নিদ্রারূপ) মৃত্যুর পর আমাদেরকে জীবিত করলেন, আর তাঁরই নিকট সকলের পুনরুত্থান
আলহামদু লিল্লা-হিল্লাযী আহ্ইয়া-না- বা‘দা মা- আমা-তানা- ওয়া ইলাইহিন্ নুশূর
বুখারী ফাতহুল বারী ১১/১১৩, নং ৬৩১৪; মুসলিম ৪/২০৮৩, নং ২৭১১।

Tuesday, March 12, 2019

বাড়ি থেকে বের হওয়ার সময়ের যিক্‌র

বাড়ি থেকে বের হওয়ার সময়ের যিক্‌র #১

بِسْمِ اللَّهِ، تَوَكَّلْتُ عَلَى اللَّهِ، وَلَا حَوْلَ وَلَا قُوَّةَ إِلاَّ بِاللَّهِ
আল্লাহ্‌র নামে (বের হচ্ছি)। আল্লাহর উপর ভরসা করলাম। আর আল্লাহর সাহায্য ছাড়া (পাপ কাজ থেকে দূরে থাকার) কোনো উপায় এবং (সৎকাজ করার) কোনো শক্তি কারো নেই
বিসমিল্লাহি, তাওয়াককালতু ‘আলাল্লা-হি, ওয়ালা হাওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ
আবূ দাউদ ৪/৩২৫, নং ৫০৯৫; তিরমিযী ৫/৪৯০, ৩৪২৬। আরও দেখুন, সহীহুত তিরমিযী, ৩/১৫১।




বাড়ি থেকে বের হওয়ার সময়ের যিক্‌র #২

اللّٰـهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ أَنْ أَضِلَّ، أَوْ أُضَلَّ، أَوْ أَزِلَّ، أَوْ أُزَلَّ، أَوْ أَظْلِمَ، أَوْ أُظْلَمَ، أَوْ أَجْهَلَ، أَوْ يُجْهَلَ عَلَيَّ
হে আল্লাহ! আমি আপনার নিকট আশ্রয় চাই যেন নিজেকে বা অন্যকে পথভ্রষ্ট না করি, অথবা অন্যের দ্বারা পথভ্রষ্ট না হই; আমার নিজের বা অন্যের পদস্খলন না করি, অথবা আমায় যেন পদস্খলন করানো না হয়; আমি যেন নিজের বা অন্যের উপর যুলম না করি অথবা আমার প্রতি যুলম না করা হয়; আমি যেন নিজে মুর্খতা না করি, অথবা আমার উপর মূর্খতা করা না হয়।
আল্লা-হুম্মা ইন্নী আ‘ঊযু বিকা আন আদ্বিল্লা, আও উদ্বাল্লা, আও আযিল্লা, আও উযাল্লা, আও আযলিমা, আও উযলামা, আও আজহালা, আও ইয়ুজহালা ‘আলাইয়্যা
সুনান গ্রন্থকারগণ: আবূ দাউদ, নং ৫০৯৪; তিরমিযী, নং ৩৪২৭; নাসাঈ, নং ৫৫০১; ইবন মাজাহ, নং ৩৮৮৪। আরও দেখুন, সহীহুত তিরমিযী ৩/১৫২; সহীহ ইবন মাজাহ্‌ ২/৩৩৬।

Sunday, February 17, 2019

Hadith

আনাস (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ
আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ তোমাদের কেউ প্রকৃত মু’মিন হতে পারবে না, যতক্ষন না আমি তার নিকট তার পিতা, তার সন্তান ও সব মানুষের অপেক্ষা অধিক প্রিয়পাত্র হই।

(মুসলিম ১/১৬ হাঃ ৪৪, আহমাদ ১২৮১৪) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৪, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ১৪)

Saturday, February 16, 2019

যিক্‌রের ফযীলত

মহান আল্লাহ বলেন:

فَاذْكُرُوْنِيْٓ اَذْكُرْكُمْ وَاشْكُرُوْا لِيْ وَلَا تَكْفُرُوْنِ
“অতএব তোমরা আমাকে স্মরণ কর, আমিও তোমাদেরকে স্মরণ করব। আর তোমরা আমার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ কর এবং আমার প্রতি অকৃতজ্ঞ হয়ো না।”
সূরা আল-বাকারাহ্‌ - ২:১৫২।
يٰٓاَيُّهَا الَّذِيْنَ اٰمَنُوا اذْكُرُوا اللّٰهَ ذِكْرًا كَثِيْرًا
“হে ঈমানদারগণ! তোমরা আল্লাহকে অধিক পরিমাণে স্মরণ কর”
সূরা আল-আহযাব - ৩৩:৪১।
وَالذّٰكِرِيْنَ اللّٰهَ كَثِيْرًا وَّالذّٰكِرٰتِ ۙ اَعَدَّ اللّٰهُ لَهُمْ مَّغْفِرَةً وَّاَجْرًا عَظِيْمًا
“আর আল্লাহকে অধিক পরিমাণে স্মরণকারী পুরুষ ও নারী: আল্লাহ তাদের জন্য ক্ষমা ও বিরাট পুরস্কার প্রস্তুত করে রেখেছেন।”
সূরা আল-আহযাব - ৩৩:৩৫।
وَاذْكُرْ رَّبَّكَ فِيْ نَفْسِكَ تَضَرُّعًا وَّخِيْفَةً وَّدُوْنَ الْجَــهْرِ مِنَ الْقَوْلِ بِالْغُدُوِّ وَالْاٰصَالِ وَلَا تَكُنْ مِّنَ الْغٰفِلِيْنَ
"আর আপনি আপনার রব্বকে স্মরণ করুন মনে মনে, মিনতি ও ভীতিসহকারে, অনুচ্চস্বরে; সকালে ও সন্ধ্যায়। আর উদাসীনদের অন্তর্ভুক্ত হবেন না।”
সূরা আল-আ‘রাফ: ২০৫। তাছাড়া নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, “যে ব্যক্তি তার রবের যিক্‌র (স্মরণ) করে, আর যে ব্যক্তি তার রবের যিক্‌র করে না— তারা যেন জীবিত আর মৃত।” [১] রাসূলুল্লাহ্‌ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আরও বলেন, “আমি কি তোমাদেরকে তা জানাবো না— আমলের মধ্যে যা সর্বোত্তম, তোমাদের মালিক (আল্লাহ্‌র) কাছে যা অত্যন্ত পবিত্র, তোমাদের জন্য যা অধিক মর্যাদা বৃদ্ধিকারী, (আল্লাহ্‌র পথে) সোনা-রূপা ব্যয় করার তুলনায় যা তোমাদের জন্য উত্তম এবং তোমরা তোমাদের শত্রুদের মুখোমুখি হয়ে তাদেরকে হত্যা এবং তারা তোমাদের হত্যা করার চাইতেও অধিকতর শ্রেষ্ঠ?” সাহাবীগণ বললেন, অবশ্যই হ্যাঁ। তিনি বললেন, “আল্লাহ্ তা‘আলার যিক্‌র।” [২] রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আরও বলেন, “আল্লাহ তা‘আলা বলেন: আমার বান্দা আমার সম্পর্কে যেরূপ ধারণা করে, আমাকে সে তদ্রূপই পাবে; আর যখন সে আমাকে স্মরণ করে, তখন আমি তার সাথে থাকি। সুতরাং যদি সে মনে মনে আমাকে স্মরণ করে, আমিও আমার মনে তাকে স্মরণ করি। আর যদি সে কোনো সমাবেশে আমাকে স্মরণ করে, তাহলে আমি তাকে এর চাইতে উত্তম সমাবেশে স্মরণ করি। আর সে যদি আমার দিকে এক বিঘত পরিমাণ নিকটবর্তী হয়, তাহলে আমি তার দিকে এক হাত পরিমাণ নিকটবর্তী হই। সে এক হাত পরিমাণ নিকটবর্তী হলে আমি তার দিকে এক বাহু পরিমাণ নিকটবর্তী হই। আর সে যদি আমার দিকে হেঁটে আসে, আমি তার দিকে দ্রুতবেগে যাই।” [৩] আব্দুল্লাহ ইবন বুসর রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত, এক ব্যক্তি আরয করল, হে আল্লাহ্‌র রাসূল! ইসলামের বিধিবিধান আমার জন্য বেশি হয়ে গেছে। কাজেই আপনি আমাকে এমন একটি বিষয়ের খবর দিন, যা আমি শক্ত করে আঁকড়ে ধরব। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, “তোমরা জিহ্বা যেনো সর্বক্ষণ আল্লাহ্‌র যিক্‌রে সজীব থাকে।” [৪] রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আরও বলেন, “যে ব্যক্তি আল্লাহ্‌র কিতাব (কুরআন) থেকে একটি হরফ পাঠ করে, সে তার বিনিময়ে একটি সওয়াব পায়; আর একটি সওয়াব হবে দশটি সওয়াবের সমান। আমি আলিফ, লাম ও মীমকে একটি হরফ বলছি না। বরং ‘আলিফ’ একটি হরফ, ‘লাম’ একটি হরফ এবং ‘মীম’ একটি হরফ।” [৫] উকবা ইবন আমের রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু বলেন, একবার রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বের হলেন। আমরা তখন সুফ্‌ফায় (মসজিদে নববীর আঙ্গিনায়) অবস্থান করছিলাম। তিনি বললেন, “তোমাদের মধ্যে কে আছে, যে প্রতিদিন সকালে বুতহান বা আকীক উপত্যকায় গিয়ে সেখান থেকে কোনো প্রকার পাপ বা আত্মীয়তার বন্ধন ছিন্ন না করে উঁচু কুঁজবিশিষ্ট দু’টো উষ্ট্রী নিয়ে আসতে পছন্দ করে”? আমরা বললাম, হে আল্লাহ্‌র রাসূল! আমরা তা পছন্দ করি। তিনি বললেন: “তোমাদের কেউ কি এরূপ করতে পার না যে, সকালে মসজিদে গিয়ে মহান আল্লাহ্‌র কিতাব থেকে দুটো আয়াত জানবে অথবা পড়বে; এটা তার জন্য দু’টো উষ্ট্রীর তুলনায় উত্তম। আর তিনটি আয়াত তিনটি উষ্ট্রী থেকে উত্তম, চারটি আয়াত চারটি উষ্ট্রী থেকে উত্তম। আর (শুধু উষ্ট্রীই নয়, বরং একইসাথে) সমসংখ্যক উট লাভ করা থেকেও তা উত্তম হবে।” [৬] রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আরও বলেন: “যে ব্যক্তি এমন কোনো বৈঠকে (মজলিসে) বসেছে যেখানে সে আল্লাহ্‌র যিক্‌র করে নি, তার সে বসাই আল্লাহ্‌র নিকট থেকে তার জন্য আফসোস ও নৈরাশ্যজনক হবে। আর যে ব্যক্তি এমন কোনো শয়নে শুয়েছে যেখানে সে আল্লাহ্‌র যিক্‌র করে নি, তার সে শোয়াই আল্লাহ্‌র নিকট থেকে তার জন্য আফসোস ও নৈরাশ্যজনক হবে।” [৭] রাসূলুল্লাহ্‌ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আরও বলেন: “যদি কোনো দল কোনো বৈঠকে বসে আল্লাহ্‌র যিক্‌র না করে এবং তাদের নবীর ওপর দরূদও পাঠ না করে, তাহলে তাদের সেই বৈঠক তাদের জন্য কমতি ও আফসোসের কারণ হবে। আল্লাহ ইচ্ছা করলে তাদেরকে শাস্তি দেবেন, অথবা তিনি চাইলে তাদের ক্ষমা করবেন।” [৮] রাসূলুল্লাহ্‌ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আরও বলেন : “যদি কোনো একদল লোক এমন কোনো বৈঠক থেকে উঠল, যেখানে তারা আল্লাহ্‌র নাম স্মরণ করে নি, তবে তারা যেন গাধার লাশের কাছ থেকে উঠে আসল। আর এরূপ মজলিস তাদের জন্য আফসোসের কারণ হবে”। আল্লাহ ইচ্ছা করলে তাদেরকে শাস্তি দেবেন, অথবা তিনি চাইলে তাদের ক্ষমাকরবেন।” [৯]
[১] বুখারী, ফাতহুল বারীসহ ১১/২০৮, নং ৬৪০৭; মুসলিম, ১/৫৩৯, নং ৭৭৯, আর তার শব্দ হচ্ছে, «مَثَلُ الْبَيْتِ الَّذِي يُذْكَرُ اللهُ فِيهِ، وَالْبَيْتِ الَّذِي لَا يُذْكَرُ اللهُ فِيهِ، مَثَلُ الْحَيِّ وَالْمَيِّتِ» “যে ঘরে আল্লাহ্‌র যিক্‌র হয়, আর যে ঘরে আল্লাহ্‌র যিক্‌র হয় না— তার দৃষ্টান্ত যেন জীবিত আর মৃত।” [২] তিরমিযী ৫/৪৫৯, নং ৩৩৭৭; ইবন মাজাহ্‌ ২/১৬৪৫, নং ৩৭৯০; আরও দেখুন, সহীহ ইবন মাজাহ্‌ ২/৩১৬; সহীহ তিরমিযী ৩/১৩৯। [৩] বুখারী ৮/১৭১, নং ৭৪০৫; মুসলিম ৪/২০৬১, নং ২৬৭৫। তবে শব্দটি বুখারীর। [৪] তিরমিযী ৫/৪৫৮, নং ৩৩৭৫; ইবন মাজাহ্‌ ২/১২৪৬, নং ৩৭৯৩। আর শাইখ আলবানী একে সহীহ বলেছেন। দেখুন, সহীহ আত-তিরমিযী, ৩/১৩৯; সহীহ ইবন মাজাহ্ ২/৩১৭। [৫] তিরমিযী ৫/১৭৫, নং ২৯১০। শাইখ আলবানী একে সহীহ বলেছেন; দেখুন, সহীহুত তিরমিযী, ৩/৯; সহীহ জামে সগীর-৫/৩৪০। [৬] মুসলিম, ১/৫৫৩; নং ৮০৩। [৭] আবূ দাউদ ৪/২৬৪, নং ৪৮৫৬ ও অন্যান্য। দেখুন, সহীহুল জামে‘ ৫/৩৪২। [৮] তিরমিযী, ৫/৪৬১, নং ৩৩৮০। আরও দেখুন, সহীহুত তিরমিযী, ৩/১৪০। [৯] আবূ দাউদ ৪/২৬৪, নং ৪৮৫৫; আহমদ ২/৩৮৯ নং ১০৬৮০। আরও দেখুন, সহীহুল জামে‘ ৫/১৭৬।

Friday, February 15, 2019

Ahmed Al-Swailem

ক্বারী Ahmed Al-Swailem | ক্বারী নাফে‘ থেকে ওয়ারশের বর্ণনা

সূরা নং সূরা

1 আল-ফাতিহা



ডাউনলোডের জন্য এখানে ক্লিক করুন
2 আল-বাক্বারাহ্

ডাউনলোডের জন্য এখানে ক্লিক করুন
3 আলে ইমরান

ডাউনলোডের জন্য এখানে ক্লিক করুন
4 আন-নিসা

ডাউনলোডের জন্য এখানে ক্লিক করুন
5 আল-মায়েদাহ্

ডাউনলোডের জন্য এখানে ক্লিক করুন
6 আল-আন‘আম



ডাউনলোডের জন্য এখানে ক্লিক করুন
7 আল-আ‘রাফ

ডাউনলোডের জন্য এখানে ক্লিক করুন
8 আল-আনফাল

ডাউনলোডের জন্য এখানে ক্লিক করুন
9 আত-তাওবাহ্

ডাউনলোডের জন্য এখানে ক্লিক করুন
10 ইউনুস

ডাউনলোডের জন্য এখানে ক্লিক করুন
11 হূদ

ডাউনলোডের জন্য এখানে ক্লিক করুন
12 ইউসুফ

ডাউনলোডের জন্য এখানে ক্লিক করুন
13 আর-রা‘দ

ডাউনলোডের জন্য এখানে ক্লিক করুন
14 ইব্রাহীম

ডাউনলোডের জন্য এখানে ক্লিক করুন
15 আল-হিজর

ডাউনলোডের জন্য এখানে ক্লিক করুন
16 আন-নাহ্‌ল

ডাউনলোডের জন্য এখানে ক্লিক করুন
17 আল-ইসরা

ডাউনলোডের জন্য এখানে ক্লিক করুন
18 আল-কাহফ

ডাউনলোডের জন্য এখানে ক্লিক করুন
19 মারইয়াম

ডাউনলোডের জন্য এখানে ক্লিক করুন
20 ত্বা-হা

ডাউনলোডের জন্য এখানে ক্লিক করুন
21 আল-আম্বিয়া

ডাউনলোডের জন্য এখানে ক্লিক করুন
22 আল-হাজ্জ

ডাউনলোডের জন্য এখানে ক্লিক করুন
23 আল-মু’মিনূন

ডাউনলোডের জন্য এখানে ক্লিক করুন
24 আন-নূর

ডাউনলোডের জন্য এখানে ক্লিক করুন
25 আল-ফুরক্বান

ডাউনলোডের জন্য এখানে ক্লিক করুন
26 আশ-শু‘আরা

ডাউনলোডের জন্য এখানে ক্লিক করুন
27 আন-নামল

ডাউনলোডের জন্য এখানে ক্লিক করুন
28 আল-ক্বাসাস

ডাউনলোডের জন্য এখানে ক্লিক করুন
29 আল-‘আনকাবূত

ডাউনলোডের জন্য এখানে ক্লিক করুন
30 আর-রূম

ডাউনলোডের জন্য এখানে ক্লিক করুন
31 লুক্বমান

ডাউনলোডের জন্য এখানে ক্লিক করুন
32 আস-সাজদা

ডাউনলোডের জন্য এখানে ক্লিক করুন
33 আল-আহযাব

ডাউনলোডের জন্য এখানে ক্লিক করুন
34 সাবা

ডাউনলোডের জন্য এখানে ক্লিক করুন
35 ফাতের

ডাউনলোডের জন্য এখানে ক্লিক করুন
36 ইয়াসীন

ডাউনলোডের জন্য এখানে ক্লিক করুন
37 আস-সাফ্‌ফাত

ডাউনলোডের জন্য এখানে ক্লিক করুন
38 সদ

ডাউনলোডের জন্য এখানে ক্লিক করুন
39 আয-যুমার

ডাউনলোডের জন্য এখানে ক্লিক করুন
40 গাফের

ডাউনলোডের জন্য এখানে ক্লিক করুন
41 ফুসসিলাত

ডাউনলোডের জন্য এখানে ক্লিক করুন
42 আশ-শূরা

ডাউনলোডের জন্য এখানে ক্লিক করুন
43 আয-যুখরুফ

ডাউনলোডের জন্য এখানে ক্লিক করুন
44 আদ-দুখান

ডাউনলোডের জন্য এখানে ক্লিক করুন
45 আল-জাসিয়া

ডাউনলোডের জন্য এখানে ক্লিক করুন
46 আল-আহক্বাফ

ডাউনলোডের জন্য এখানে ক্লিক করুন
47 মুহাম্মাদ

ডাউনলোডের জন্য এখানে ক্লিক করুন
48 আল-ফাতহ

ডাউনলোডের জন্য এখানে ক্লিক করুন
49 আল-হুজুরাত

ডাউনলোডের জন্য এখানে ক্লিক করুন
50 ক্বাফ

ডাউনলোডের জন্য এখানে ক্লিক করুন
51 আয-যারিয়াত

ডাউনলোডের জন্য এখানে ক্লিক করুন
52 আত-তূর

ডাউনলোডের জন্য এখানে ক্লিক করুন
53 আন-নাজম

ডাউনলোডের জন্য এখানে ক্লিক করুন
54 আল-ক্বামার

ডাউনলোডের জন্য এখানে ক্লিক করুন
55 আর-রাহমান

ডাউনলোডের জন্য এখানে ক্লিক করুন
56 আল-ওয়াক্বি‘আহ

ডাউনলোডের জন্য এখানে ক্লিক করুন
57 আল-হাদীদ

ডাউনলোডের জন্য এখানে ক্লিক করুন
58 আল-মুজাদালাহ্

ডাউনলোডের জন্য এখানে ক্লিক করুন
59 আল-হাশর

ডাউনলোডের জন্য এখানে ক্লিক করুন
60 আল-মুমতাহিনা

ডাউনলোডের জন্য এখানে ক্লিক করুন
61 আস-সাফ

ডাউনলোডের জন্য এখানে ক্লিক করুন
62 আল-জুমু‘আ

ডাউনলোডের জন্য এখানে ক্লিক করুন
63 আল-মুনাফিক্বূন

ডাউনলোডের জন্য এখানে ক্লিক করুন
64 আত-তাগাবুন

ডাউনলোডের জন্য এখানে ক্লিক করুন
65 আত-ত্বালাক

ডাউনলোডের জন্য এখানে ক্লিক করুন
66 আত-তাহরীম

ডাউনলোডের জন্য এখানে ক্লিক করুন
67 আল-মুলক

ডাউনলোডের জন্য এখানে ক্লিক করুন
68 আল-ক্বালাম

ডাউনলোডের জন্য এখানে ক্লিক করুন
69 আল-হাক্কাহ্

ডাউনলোডের জন্য এখানে ক্লিক করুন
70 আল-মা‘আরেজ

ডাউনলোডের জন্য এখানে ক্লিক করুন
71 নূহ

ডাউনলোডের জন্য এখানে ক্লিক করুন
72 আল-জিন্ন

ডাউনলোডের জন্য এখানে ক্লিক করুন
73 আল-মুযযাম্মিল

ডাউনলোডের জন্য এখানে ক্লিক করুন
74 আল-মুদ্দাস্‌সির

ডাউনলোডের জন্য এখানে ক্লিক করুন
75 আল-ক্বিয়ামাহ্‌

ডাউনলোডের জন্য এখানে ক্লিক করুন
76 আল-ইনসান

ডাউনলোডের জন্য এখানে ক্লিক করুন
77 আল-মুরসালাত

ডাউনলোডের জন্য এখানে ক্লিক করুন